মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন

সাদুল্যাপুরে আওয়ামী লীগের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের পাল্টা সাংবাদিক সম্মেলন

mm
আল কাদরি কিবরিয়া সবুজ, (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:-
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৬৫বার পঠিত

৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের আলোচনা সভায় গাইবান্ধার ‘সাদুল্যাপুরের উন্নয়নে করণীয়’ শীর্ষক কথিত রচনা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে সাদুল্যাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের সাংবাদিক সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে পাল্টা সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকালে সাদুল্যাপুর শহীদ মিনার চত্ত্বরে দলীয় কার্যালয়ে যৌথভাবে এই সাংবাদিক সম্মেলন আয়োজন করে উপজেলা যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও মৎস্যজীবিলীগ। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাদুল্যাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক মতিয়ার রহমান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, সাদুল্যাপুরের মানুষের কাছে মূর্তিমান আতঙ্কের নাম মাইদুল ইসলাম। দুর্ধষ শিবির ক্যাডার মাইদুল ইসলাম ভোট কেন্দ্র পুড়ে দেয়া, রাস্তার গাছ কাটা, জ্বালাও-পোড়াও অগ্নিসংযোগসহ নাশকতা মুলক ১৮ মামলার আসামী।

২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারীর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় শিবির ক্যাডার মাইদুল ইসলাম আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য কবর খনন করেছিলো।

এছাড়াও ২০১৫ সালে উপজেলার দামোদরপুর বুড়িরভিটায় ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধুর শোক দিবসের অনুষ্ঠানে বাঁধা দিয়েছিলো শিবির ক্যাডার মাইদুল ইসলাম।

তাই এমন একজনকে উপজেলা পরিষদের প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সুযোগ দিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শুধু আইন ভঙ্গই করেননি, বর্তমান সরকারের নীতি আদর্শের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন।

সেদিনের লিখিত বক্তেব্যের একটি অংশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন জামাত-বিএনপির একটি অংশ আওয়ামীলীগের বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনে অনুপ্রবেশকারীরা ইউএনওর পদক্ষেপের বিরোধী করছে।

উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা বাহিরের জেলা থেকে এখানে চাকুরী করতে এসেছেন, তাই মাইদুলকে চিনতে না পারাটাই স্বাভাবিক, কিন্তু বর্তমান আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মাইদুলকে চিনতে না পারার বক্তব্যেটি পুরোপুরি হাস্যকর বলে বক্ত্যরা দাবী করেছেন।

কোন জনপ্রতিনিধি মুচলেকা দিয়ে মাদক ব্যবসায়ীকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেন তা থানার রিপোর্ট দেখলে স্পষ্ট হবে। একই সঙ্গে তারা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের সেদিনের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তার এহেন কর্মকান্ডের তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ও যথাযথ সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট জোড় দাবী জানান।

পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরদেন সাদুল্যাপুর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শাহ মোঃ ফজলুল হক রানা, সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক আকন্দ, স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক এশরাফুল কবীর আরিফ, যুগ্ন আহবায়ক আশরাফুল ইসলাম আশিক, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রিপন, মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলী এবং আওয়ামীলীগ নেতা মতিয়ার রহমান ও তরিকুল ইসলাম নয়ন প্রমূখ।


এ জাতীয় আরো খবর..