রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ-
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল,'বিডি দর্পণ ২৪.কম'-এ রংপুর বিভাগের পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, কুড়িগ্রাম, রংপুর, নীলফামারী ও লালমনিহাট জেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদেরকে অতিশীঘ্রই পূর্ণজীবন বৃত্তান্ত  ই-মেইল (news1.bddorpon24@gmail.com) করতে বলা হলো। প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন মোঃ মনোয়ার বাবু, সহকারী বার্তা সম্পাদক, মোবাইল -০১৭১২৮৭৩১৯৩

সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে সাদুল্লাপুরের বিভিন্নস্থানে প্রাইভেট-কোচিং বাণিজ্য অব্যাহত

mm
আল কাদরি কিবরিয়া সবুজ, (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার ৬ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৪০বার পঠিত


করোনা মহামারির কারণে দেশে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ কোচিং ও প্রাইভেট পড়ানো বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অথচ গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলায় এই নির্দেশ অমান্য করে কিছু অর্থলোভী শিক্ষক প্রাইভেট বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। এসব শিক্ষক তাঁদের বাসা অথবা ভাড়া করা কক্ষে ব্যাচ করে একসঙ্গে ৩০ থেকে ৩৫ জন শিক্ষার্থীকে গাদাগাদি করে বসিয়ে এ কার্যক্রম চালাচ্ছেন। স্থানীয় ব্যাক্তিরা এ নিয়ে প্রতিবাদ করলেও ওই শিক্ষকরা তা কানে তুলছেন না।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলা সদর, ঘ্যাগারবাজার, পঁচারবাজার, ঢোলভাঙ্গা, ধাপেরহাট, আমবাগানসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় প্রায় ৪/৫ মাস হলো অনেকটা প্রকাশ্যেই প্রাইভেট বাণিজ্য শুরু হয়েছে। আবার অনেক অর্থলোভী শিক্ষক তাঁদের শিক্ষার্থীদের স্কুলব্যাগ ও পোশাক ব্যবহার না করে শপিং ব্যাগ ও চটের ব্যাগে পাঠ্য বই নিয়ে তাঁদের বাসায় প্রবেশ করিয়ে প্রধান দরজা বন্ধ করে পড়াচ্ছেন। নানা কৌশলে প্রশাসনের নজরদারি এড়িয়ে নির্ভয়ে তাঁরা প্রাইভেট বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন এমন কিছু শিক্ষকও প্রাইভেট বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত। করোনার কারনে প্রাইভেট নিষিদ্ধ করার পর বেশ কিছুদিন তাঁরা পড়ানো বন্ধ রেখেছিলেন। কিন্তু মাস পাঁচেক হলো আবারও তাঁরা আগের মতোই প্রায় প্রকাশ্যেই প্রাইভেট বাণিজ্য শুরু করেছেন। এদিকে উপজেলা সদর ও ধাপেরহাট এলাকায় প্রাইভেট পড়ানোর সুবিধার জন্য শিক্ষকরা ওই সব স্থানে বাসা ভাড়া নিয়েছেন। প্রত্যেকের বাসায় রয়েছে প্রাইভেট পড়ানোর জন্য বিশেষ কক্ষ। কক্ষগুলো বেশ ছোট হলেও সেখানে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বেঞ্চ ঢুকিয়ে তাতে গাদাগাদি করে শিক্ষার্থী বসানো হচ্ছে। এভাবে প্রতি ব্যাচে ৩০ থেকে ৩৫ জন বা তারও বেশি শিক্ষার্থীকে পড়ানো হচ্ছে।

উপজেলার সদর, নলডাংগা, আমবাগান ও ধাপেরহাট এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, আমাদের বাড়ির কাছেই বেশ কয়েকজন শিক্ষক প্রাইভেট পড়াচ্ছেন। সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত প্রতি ব্যাচে ২০ থেকে ২৫ জনকে ছোট কক্ষে বসিয়ে তাঁরা প্রাইভেট পড়াচ্ছেন। আমি এ ব্যাপারে প্রতিবাদ করলেও কোনো ফল হয়নি।

সাদুল্লাপুরের আনারুল ইসলাম ও ধাপেরহাটের নাজমা বেগমসহ বেশ কয়েকজন অভিভাবক জানান, সন্তানদের প্রাইভেট পড়া দূরের কথা, বাইরেই বের হতে দিচ্ছেন না। তাঁরা জানান, সকালে রাস্তায় বের হলে শিক্ষার্থীদের দল বেঁধে শিক্ষকদের বাড়িতে প্রাইভেট পড়তে যেতে দেখা যাচ্ছে। এভাবে চললে করোনা সংক্রমণ দ্রুত ছড়াবে।

ধাপেরহাট, ঢোলভাঙ্গা, পঁচারবাজার, সাদুল্লাপুর সদর এলাকায় প্রাইভেট পড়ান এমন কয়েকজন শিক্ষক জানান, অভিভাবকদের চাপে তাদের মতো অনেক শিক্ষকই প্রাইভেট পড়াচ্ছেন। প্রাইভেট পড়ানোর কক্ষে সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকে বলে তিনি দাবি করেন। তবে বাস্তবে তাদের এই কথার সত্যতা পাওয়া যায়নি। বরং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট দিয়ে তারা ছাত্রছাত্রী সংগ্রহ করছে ।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও তিনি অসুস্থ থাকায় সরকারি নির্দেশ অমান্য করে প্রাইভেট পড়ানো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি।

এমতাবস্থায় উপজেলায় করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে এর দায়ভার কে নিবে সেটাই এখন বড় প্রশ্ন?


এ জাতীয় আরো খবর..

Prayer Time Table

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৫৫ পূর্বাহ্ণ
  • ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ
  • ৬:০০ পূর্বাহ্ণ
  • ৬:০০ পূর্বাহ্ণ
  • ৬:০০ পূর্বাহ্ণ
  • ৬:০৭ পূর্বাহ্ণ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১