শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
ঘোড়াঘাট থানা পুলিশের চেষ্টায় বাবা ফেরত পেল নিখোজ ১০ বছরের মাদ্রাসা ছাত্র হৃদয়কে খুলনা মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ২ কেজি গাঁজা ও ৭ পিস ইয়াবা সহ ৫ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার দুর্গাপুরে হেলথ এসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশন উদ্যোগে নিয়োগ বিধি সংশোধনসহ বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে কর্মবিরতি কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পৌরসভা নির্বাচন করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় ৮ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক নেশার টাকা না পেয়ে সন্তানকে বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা নড়াইলে কালিয়া উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার’ বিজয়ী সাদাতকে পুলিশের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা নড়াইল পৌর মেয়র আ’লীগ নেতা জাহাঙ্গীর বিশ্বাসের দাফন সম্পন্ন কক্সবাজারে মানুষ-হাতি সংঘাত নিরসন ও বন্য হাতি রক্ষায় করণীয় সচেতনতা সভা ফুলছড়িতে স্বাস্থ্য সহকারীদের কর্মবিরতি ফুলবাড়ী‌তে স্বাস্থ্য সহকারী‌দের কর্মবির‌তি সাপাহারে ক্লিনিকে ভুল অপারেশনে প্রসূতির মৃত্যু! কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় ২০২০ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন বিরামপুরের দিওড় ইউনিয়নে মালেক মন্ডলের মাস্ক বিতরণসহ সাহায্য সহযোগীতা চলমান

এ বয়সেও হার মানেনি বাচ্চা মিয়া

মনোয়ার বাবু(ঘোড়াঘাট) দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২০
  • ২১৭ বার পঠিত

বয়সের ভাড়ে নুয়ে পড়া জীর্ণ শীর্ণ কঙ্কাল সার শরীর! পড়নে একটা ময়লা সার্ট আর লুঙ্গি, পায়ে এক জোড়া জুতা তাও আবার কয়েক টা পট্টি লাগানো,অভাবের চিহ্ন তার সমস্ত শরীরে কিন্তু মুখে তার উৎফুল্লের হাসি!

বাচ্চা মিয়া বয়স আনুমানিক ৭০ এর কাছা কাছি হবে হয়তো, গাইবান্ধা পলাশ বাড়ি ২ নং হোসেন পুর ইউনিয়নের শ্রী খন্ডির গেল্লা মিয়ার ছেলে, তার স্ত্রী নাম জানতে পারিনি কিন্তু তারা আট সন্তানের জনক।তাদের মধ্যে দুইটা ছেলে আর ছয়টি মেয়ে।এক ছেলে এক মেয়ে পৃথিবী থেকে চির বিদায় নিয়েছে অনেক আগে আর এক ছেলে ঢাকাতে বাকি মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে অনেক আগেই।জীবন চলার তাগিদে বেছে নিয়েছেন কলা গাছের ফুল আর মজ্জা ফেরী করে বিক্রি করার।

দিনাজপুর ঘোড়াঘাট বাজারে এমনি একজন বৃদ্ধ লোকের খোজ মিলে যে প্রতিদিন দশ পনেরো টা কলা গাছের মজ্জা আর সাত আটটা কলা গাছের ফুল নিয়ে ফেরী করে বিক্রি করে। যে বয়সে তার বাড়িতে শুয়ে বসে খাবার কথা সে বয়সে এই বৃদ্ধ কারো কাছে হাত না পেতে পরিশ্রম করে উপার্জন করছে।সমাজের তার বয়সী দরিদ্র পরিবারের কয়েকজনের সাথে তুলনা করলে দেখা যায়, তার থেকে শারীরিকভাবে সক্ষম অনেক মানুষ সড়কে, ফুটপাতে কিংবা বিভিন্ন দোকান পাটে ভিক্ষা করছে। কিন্তু ব্যতিক্রম এই বাচ্চা মিয়া। তিনি ভিক্ষা না করে জীবিকার তাগিদে কাঁধে ভার নিয়ে দুপুরের তপ্ত রোদকে মাথায় নিয়ে পৌরসভার অলিগলি ধরে এই সমস্ত সবজি বিক্রি করছেন এবং দিনে ২০০/২৫০ টাকা বিক্রি করে বলে জানান।

আপনার এই বয়সে অনেকে তো ভিক্ষা করে, কিন্তু আপনি এত পরিশ্রম কেন করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে বাচ্চা মিয়া বলেন, ‘আমার নবীর শিক্ষা-করো না ভিক্ষা’ ভিক্ষা খুব খারাপ কাজ। তাই আমি ভিক্ষা না করে নিজে পরিশ্রম করে যাচ্ছি। আমি যতদিন বাঁচি অণ্যের উপর বোঝা না হয়ে নিজেই চেষ্টা করে যাবো। রিজিকের মালিক আল্লাহ, তিনি সব ব্যবস্থা করে দেবেন। আমিতো চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

তিনি বলেন, কাজ করার মতো শক্তি থাকতে কেউ যেন ভিক্ষা না করে। পরিশ্রম করে যেন বাঁচে।

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..