শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
ঘোড়াঘাট থানা পুলিশের চেষ্টায় বাবা ফেরত পেল নিখোজ ১০ বছরের মাদ্রাসা ছাত্র হৃদয়কে খুলনা মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ২ কেজি গাঁজা ও ৭ পিস ইয়াবা সহ ৫ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার দুর্গাপুরে হেলথ এসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশন উদ্যোগে নিয়োগ বিধি সংশোধনসহ বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে কর্মবিরতি কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পৌরসভা নির্বাচন করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় ৮ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক নেশার টাকা না পেয়ে সন্তানকে বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা নড়াইলে কালিয়া উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার’ বিজয়ী সাদাতকে পুলিশের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা নড়াইল পৌর মেয়র আ’লীগ নেতা জাহাঙ্গীর বিশ্বাসের দাফন সম্পন্ন কক্সবাজারে মানুষ-হাতি সংঘাত নিরসন ও বন্য হাতি রক্ষায় করণীয় সচেতনতা সভা ফুলছড়িতে স্বাস্থ্য সহকারীদের কর্মবিরতি ফুলবাড়ী‌তে স্বাস্থ্য সহকারী‌দের কর্মবির‌তি সাপাহারে ক্লিনিকে ভুল অপারেশনে প্রসূতির মৃত্যু! কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় ২০২০ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন বিরামপুরের দিওড় ইউনিয়নে মালেক মন্ডলের মাস্ক বিতরণসহ সাহায্য সহযোগীতা চলমান

মাদারীপুরে দুই হাসপাতালে দুই রকম রিপোর্ট, বিপাকে একটি পরিবার

মোঃরায়হান হাওলাদার মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় সোমবার ৯ নভেম্বর, ২০২০
  • ৫৩ বার পঠিত

মাদারীপুরে শহরের দুই হাসপাতালে দুই দিনের ব্যবধানে দুই রকম রিপোর্ট প্রদান করায় বিপাকে পড়েছে একটি পরিবার।

এই ঘটনায় মাদারীপুর শহরের সেতারা জেনারেল হাসপাতাল নামে একটি প্রাইভেট হাসপাতালের বিরুদ্ধে মিথ্যা গর্ভপাতের রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মাসুদ আকন প্রতিকার ও বিচার চেয়ে গত ২৯অক্টোবর মাদারীপুর সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার হাজরাপুর গ্রামের শিল্পী বেগম নামে এক নারীকে গত ২৮ সেপ্টেম্বর মাদারীপুর শহরের বাবু চৌধুরী জেলারেল হাসপাতাল নামে একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে আলট্রাসনোগ্রাম ও প্রেগনেন্সি টেস্টে গর্ভবতী নয় বলে উল্লেখ করে। এছাড়াও গত ১২ জুলাই শিল্পী বেগম গর্ভবতী না হওয়ার জন্য ইনজেকশন গ্রহন করেন। কিন্তু মাদারীপুর শহরের সেতারা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক এনামুল হক গত ৩০ সেপ্টেম্বর শিল্পী বেগমকে গর্ভবতী উল্লেখ করে আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট প্রদান করে। এই রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই শিল্পী বেগম গর্ভবতী ছিলেন এবং তার গর্ভের সন্তান নষ্ট করে ফেলা হয়েছে উল্লেখ করে মাদারীপুর কোর্টে একটি মামলা দায়ের করে।

মাদারীপুর সদর উপজেলার হাজরাপুর গ্রামের বাসিন্দা মাসুদ আকন বলেন, শিল্পী বেগমের সাথে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঝগড়া হয়। এই ঝগড়ার কারনে ক্ষিপ্ত হয়ে সে আমাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে। এই মামলায় দাবী করেছে সে গর্ভবতী ছিলেন। অথচ দুই দিনে ব্যবধানে দুই হাসপাতালে দুই রকম রিপোর্ট দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, সেতারা হাসপাতালের চিকিৎসক এনামুল হক মোটা অংকের টাকা খেয়ে মিথ্যা রিপোর্ট প্রদান করেছেন। আমরা গরীব মানুষ। এই মিথ্যা রিপোর্টের কারনে আমার পরিবারের সবাই মামলা মোকাদ্দমার ভোগান্তিতে পড়েছি। আমরা এই চিকিৎসকের বিচার চাই।

এব্যাপারে মাদারীপুরের সেতারা জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিরু চৌধুরী বলেন, দুই হাসপাতালের রিপোর্ট দুই রকম কেন সেটা চিকিৎসক ভালো বলতে পারবেন। আমার জানা নেই। তবে অভিযুক্ত এই চিকিৎসকরে সাথে যোগাযোগ করতে একাধিক দিন হাসপাতালে গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এমন কি তার মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, লিখিত অভিযোগ দেয়ার পরে তিনি রহস্যজনক কারনে সেতারা হাসপাতালে আসেননি।

এব্যাপারে মাদারীপুরের সিভিল সার্জন ডা. সফিকুল ইসলাম বলেন, এই ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..