রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০৪:০১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
ঘোড়াঘাটে বর্গা চাষি জুয়েলের লক্ষাধিক টাকার লাউ গাছের ক্ষতি সাধন খাগড়াছড়িতে গ্রাম ডাক্তারদের নিয়ে ব্র্যাক এর ম‍্যালেরিয়া নির্মূল ওরিয়েন্টেশন সাংবাদিক তাজ ফারাজুল ইসলাম চৌধুরী রচিত “যুগল গল্প”- বইয়ের মোড়ক উন্মোচন রাজশাহীতে একটি ঘরে আটক থাকা এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার নড়াইল-যশোর সড়কে ট্রাকের ধাক্কায় কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশ গাজাসহ আটক করেছে ২মাদক ব্যবসায়ীকে ঘোড়াঘাটে নাবিল পরিবহনের গাইড এবং হেলপার ৫৮ বোতল ফেনসিডিল সহ আটক বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কোভিড-১৯ এ ক্ষতিগ্রস্থ অসহায়-দুস্থের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও হাইজিন কিট বিতরণ উলিপুর উপজেলায় বেতন বৈষম্য দাবিতে কর্মবিরতি পালিত কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ৩দিন ব্যাপী অ্যাডভোকেসি,লবিং এবং নিগোসিয়েশন প্রশিক্ষণ উদ্বোধন কুড়িগ্রামে ২ হাজার হত দরিদ্র নারীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসম্ম উপকরণ বিতরণ আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উপলক্ষে কালিয়ায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত আগামী ঘোড়াঘাট পৌরসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য ০৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী সাইদুর রহমান সাজু দুর্গাপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১’শ ফেন্সিডিলসহ বোতলসহ গ্রেপ্তার ২

আসল অপরাধী কে? মাদকসেবি,মাদককারবারী নাকি প্রশাসন!!

মোঃ জিয়াউর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক, বিডি দর্পণ ২৪.কম
  • আপডেট সময় রবিবার ১৫ নভেম্বর, ২০২০
  • ৯০ বার পঠিত

চলছে প্রশাসনের তৎপরতা- মাদক নির্মূল করার জন্য। প্রতিদিনই কমবেশি ধরা হচ্ছে মাদকসেবী ও মাদক কারবারীকে। তার পরেও কি কমছে যুব সমাজ ধংসের একমাত্র পথ “মাদক”- না কমেনি। বরং দিন দিন বেড়েই চলেছে। 

আমি যদি আমার মতো করে আমার নিজ এলাকা ঘোড়াঘাটের কথাই বলি তাহলে বলতে হয়- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাদক নিয়ে অনেক লেখালেখি হয়ে থাকে।  সেখানে লেখা হয় মাদক থেকে ঘোড়াঘাটের যুব সমাজকে রক্ষার জন্য সকলকে এক হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। স্যালুট জানাই সেই ভাইদের কে- যারা এই ঘাতক নামক মাদকের বিরুদ্ধে লেখালেখি করছেন।

একটি সংসার, একটি জাতি ও একটি দেশকে ধংস করতে বেশি কিছুর প্রয়োজন নেই। যুব সমাজের মধ্যে মাদককে সহজ ভাবে পৌছে দিতে পারলেই যথেষ্ট। কোন এক সময় সব কিছু ধংস হয়ে যাবে। আর লাভবান হবে তারাই যারা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে সোনার বাংলাদেশের সোনার ছেলেদের মেধা ধংস করতে চাচ্ছে।

এখন আসি আসল কথায়- তাহলে কে নির্মূল করবে এই মাদক নামের ঘাতক কে- মাদকসেবী, মাদক ব্যবসায়ী নাকি প্রশাসন। প্রশাসন যদি সুযোগ না দিতো তাহলে মাদক ব্যবসায়ীরা মাদক আনতে পারতো না। আবার মাদক ব্যবসায়ীরা যদি মাদক আনতে না পারতো তাহলে মাদকসেবীরা মাদক সেবন করতে পারতো না। তাহলে এখানে অপরাধী কে তা বিচারের ভার পাঠক শ্রোতাদের উপর ছেড়ে দিলাম।

আমাদের ঘোড়াঘাটে কতজন মাদক ব্যবসায়ী আছে- আমার মনে হয় আমাদের মতো সাধারন জনগনের চেয়ে প্রশাসনের লোক খুব ভালো জানেন। আমি বিশ্বাস করি প্রশাসন ইচ্ছে করলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবেন। কিন্তু কেন সেই ব্যবস্থা নেন না তা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ভালো জানেন।

তবে অবাক লাগে- যারা মাদক কারবারী তাড়াই আবার প্রশাসনের দাপট দেখিয়ে চলে। স্থানীয় সচেতন মহল কিছু বলতে গেলে কোন না কোন ভাবে তাদেরকে বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিয়ে হয়রানি করা হয়।

ধরুন আমাকে হাত পা বেধে পানিতে ফেলে দিয়ে বলা হয় তুমি সাতার কাটো- আমার পক্ষে সাতার কাটা কি সম্ভব? উত্তর এক কথায় না।  তাহলে মাদককে আনার সুযোগ করে দিয়ে যদি বলা হয় অভিভাবকরা সচেতন হলেই তাদের যুবক সন্তানদের মাদকের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব- এ কথাটি আর যায় হোক পাগলেও বিশ্বাস করবে না।

এই মাদকের কারনে বেড়ে চলেছে ধর্ষন, খুন, ছিনতাই সহ বড় ধরনে অনেক গুরুতর অপরাধ। এই মাদক নির্মল করতে না পারলে আগামীতে হয়তো সোনার বাংলাদেশটি হবে অপরাধীদের  জন্য সবচেয়ে নিরাপদ স্থান। লাভবান হবে পার্শ্ববর্তী দেশগুলো।

সর্বোপরি শেষ কথা হলো প্রত্যেক অভিভাবকই চায় তার সন্তান সু শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সমাজে উচু মাপের মানুষ হোক। আমার মনে হয় এই চাওয়াটা ঐ মাদকসেবী, মাদককারবারী এবং প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ও। তাহলে কেন আমরা সকলে মিলে মাদক নামক ঘাতক কে নির্মূল করতে পারছিনা।

তাই আসুন সকলেই একসাথে বলি

সোনার মতো গড়ব দেশ

মাদক কে করবো শেষ।

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..