রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০২:১০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কোভিড-১৯ এ ক্ষতিগ্রস্থ অসহায়-দুস্থের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও হাইজিন কিট বিতরণ উলিপুর উপজেলায় বেতন বৈষম্য দাবিতে কর্মবিরতি পালিত কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ৩দিন ব্যাপী অ্যাডভোকেসি,লবিং এবং নিগোসিয়েশন প্রশিক্ষণ উদ্বোধন কুড়িগ্রামে ২ হাজার হত দরিদ্র নারীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসম্ম উপকরণ বিতরণ আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উপলক্ষে কালিয়ায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত আগামী ঘোড়াঘাট পৌরসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য ০৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী সাইদুর রহমান সাজু দুর্গাপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১’শ ফেন্সিডিলসহ বোতলসহ গ্রেপ্তার ২ দুর্গাপুরে কয়লা ভর্তি ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মোটরসাইকেল আরোহী যুবকের মৃত্যু খাগড়াছড়ি-ঢাকা রুটে নতুন সংযোজন বিলাসবহুল গ্রীন লাইন সেবা পানছড়িতে ব্রীকফিল্ডে সন্ত্রাসী হামলা চকরিয়া-পেকুয়ায় বনের কাঠে তৈরী হচ্ছে অবৈধ ফিশিং বোট ধামইরহাটে সোনার বাংলা সংগীত নিকেতনের বার্ষিক বনভোজন ধামইরহাটে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কুড়িগ্রাম সদরে হেরোইনসহ ৩ যুবক আটক

বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট হতে আগুন একটি পরিবারের পুড়ে গেল সব

এম আঃ মতিন রাজশাহী প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার ১৯ নভেম্বর, ২০২০
  • ২৯ বার পঠিত


রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় ভয়াবহ আগুনে একটি বাড়ির সবকিছুই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

বুধবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের ফকিরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আগুন লাগার পর পরিবারের সদস্যরা কিছুই রক্ষা করতে পারেননি। আগুন থেকে শুধু তাদের পরনের কাপড় রক্ষা পেয়েছে। এর বাইরে আসবাবপত্রসহ বাড়ির সবকিছুই পুড়ে গেছে। পুড়ে মারা গেছে খামারের মুরগিও। এই খামার থেকেই বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটে আগুনের সূত্রপাত।

বাড়ির মালিকের নাম আনিকুল ইসলাম। তিনি পেশায় দিনমজুর। আনিকুল জানান, রাতে মুরগির খামারে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগে। গভীর রাতে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুন পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিবেশীদের সহায়তায় তারা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু কাজ হয়নি। এরই মধ্যে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়া হয়। পরে গোদাগাড়ী ফায়ার স্টেশনের সদস্যরা এসে আগুন নেভান। কিন্তু ততক্ষণে বাড়ির সবকিছু পুড়ে ছাই। আনিকুলের স্ত্রী রিনা বেগম বলেন, পরনের কাপড় ছাড়া তাদের কিছুই নেই। নগদ টাকা, খামারের মুরগি, আসবাবপত্রসহ সবকিছুই পুড়ে গেছে।

পরিবারটির এমন দুরাবস্থার খবর পেয়ে দুপুরে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আলমগীর হোসেন। এ সময় তার সঙ্গে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবদুর রশিদ এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শহিদুল করিম শিবলীও উপস্থিত ছিলেন।

গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আলমগীর হোসেন জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবারটিকে তিন বান্ডেল টিন দেয়া হচ্ছে। ইউপি চেয়ারম্যান টিনগুলো পৌঁছে দেবেন। দেখলাম পরনের কাপড় ছাড়া পরিবারের সদস্যদের আর কোনো কাপড়ও নেই। আমি তাদের কাপড়ও পাঠাচ্ছি।

ইউএনও বলেন, বিষয়টি জেলা প্রশাসক আবদুল জলিলকেও জানানো হয়েছে। তিনি পরিবারের পক্ষ থেকে একটি আবেদন চেয়েছেন। আবেদনটি দেয়া হলে পরিবারটিকে নগদ টাকাসহ অন্যান্য সরকারি সহায়তা দেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..