রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:৩০ অপরাহ্ন

খাগড়াছড়িতে ৬জেলার আঞ্চলিক ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

mm
আল মামুন পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার ২৪ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৩৯বার পঠিত

খাগড়াছড়িতে ৬জেলার আঞ্চলিক ই-পাসপোর্ট পরিষেবা ও স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার শুভ উদ্বোধন করেছেন আসাদুজ্জামান খাঁন এমপি।

বৃহস্পতিবার(২৩ডিসেম্বর) দুপুরে খাগড়াছড়ি পাসপোর্ট অফিসে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, কক্সবাজার, নারায়ণগঞ্জ ও চাঁদপুরে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

পাসপোর্ট অধিদপ্তরের বহিরাগমন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ আইয়ুব চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মোঃ শহিদুজ্জামান, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সাংসদ ও টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, সংরক্ষিত আসনের মহিলা এমপি বাসন্তী চাকমা, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাঈদ।

আঞ্চলিক ই-পাসপোর্ট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন এমপি বলেন, ই-পাসপোর্ট হচ্ছে মুজিববর্ষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপহার।

বিগত ২২জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিক এক ঘোষণার মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন।

সারাদেশে পর্যায়ক্রমে ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম শুরু হবে। তারই ধারাবাহিকতায় খাগড়াছড়িতে ৬জেলার ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হলো।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যে কথা দেন তিনি সে কথা রাখেন, যার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হচ্ছে ই-পাসপোর্ট। তিনি বলেছিলেন, ই-পাসপোর্ট চালু করবেন। সারাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু করে তিনি তার কথা রেখেছেন।

ই-পাসপোর্ট এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে বিদ্যমান বইয়ের সঙ্গে একটি ডিজিটাল পাতা (ডাটা পেজ) জুড়ে দেয়া হবে। ওই ডিজিটাল পাতায় উন্নতমানের মেশিন রিডেবল চিপ বসানো থাকবে। এতে সংরক্ষিত থাকবে পাসপোর্টধারীর সব তথ্য।
ডাটা পেজে থাকবে পাসপোর্টধারীর তিন ধরনের ছবি, ১০ আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশও। ভ্রমণকালে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ কম্পিউটারের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে পাসপোর্টধারীর সব তথ্য-উপাত্ত জানতে পারবেন।

ই-পাসপোর্টের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, বিভিন্ন বিমানবন্দরে ভিসা চেকিংয়ের জন্য লাইনে দাঁড়াতে হবে না। ঝামেলাহীনভাবে ই-গেট ব্যবহার করে দ্রুততম সময়ে ইমিগ্রেশনের কাজ শেষ করা যাবে।

এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মন্ত্রীর একান্ত সচিব দেওয়ান মাহবুবুর রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফ মাহমুদ অপু, মন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব মনির হোসেন, গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার মোঃ শাহরিয়ার জামান, পার্বত্য চট্রগ্রাম রিজিয়নাল কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফরিদুল ইসলাম, খাগড়াছড়ি বিজিবি’র সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল জাহাঙ্গীর আলম, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু, খাগড়াছড়ি সদর জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল জাহিদুল ইসলাম, খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস, খাগড়াছড়ি রিজিয়নের প্রতিনিধি মেজর এম এম সালাহউদ্দিন, খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আব্দুল আজিজ সহ সামরিক-বেসামরিক ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..