রবিবার, ১৬ মে ২০২১, ০৯:১৬ অপরাহ্ন

মিথ্যা ও ভিক্তিহীন সংবাদ প্রচার ও থানায় মামলা দায়েরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

mm
আল কাদরি কিবরিয়া সবুজ, (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় বুধবার ২৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ৮৪বার পঠিত
মিথ্যা ও ভিক্তিহীন সংবাদ প্রচার ও থানায় মামলা দায়েরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ছবি-আল কাদরি কিবরিয়া সবুজ, (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে জমির ধানকাটাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ কর্তৃক পত্রিকাসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা-বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও অসত্য খবর প্রকাশ এবং থানায় দায়েরকৃত মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের কিশোরগাড়ী (ভেগীপাড়া) গ্রামের বাড়ীতে জনাকীর্ণ এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। নুরুল ইসলামের স্ত্রী আম্বিয়া বেগমের পক্ষে সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো. সাকোয়াতজ্জামান। এসময় তিনি উল্লেখ করেন, কিশোরগাড়ী (ভেগীপাড়ায়) নুরুল ইসলামের সাথে বেবী বেগমের ২৮ শতাংশ (মৌজা-কিশোরগাড়ী, জেএল নং-০১, খতিয়ান নং-১৭৫, দাগ নং-২৩০৩) কৃষি জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৫ এপ্রিল (রোববার) সকালে বিরোধপূর্ব ওই জমিতে থাকা ধানকাটা নিয়ে পরস্পরের মধ্যে মতপার্থক্যের সৃষ্টি হয়। এঘটনায় এরআগেও বেশ কয়েক দফা শালিসী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কিন্ত তা বরাবরই অমিমাংসিত পন্ড হয়ে যায়। তবে পরবর্তীতে থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে আবারো এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিষয়টি শান্তিপূর্ণ মিমাংসায় উভয়ের সম্মতিক্রমে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

তন্মধ্যে বিরোধপূর্ব ওই জমির কর্তনকৃত ধান কাটা-মাড়াই শেষে নুরুল ইসলাম বেবী বেগমকে ৫ মন ধান এবং ২শ’টি খড়ের আটি প্রদান করবেন। থানা পুলিশের মধ্যস্থতায় পূর্বে গৃহীত এমন সিদ্ধান্তক্রমে নুরুল ইসলাম ঘটনার দিন স্থানীয় কামলার মাধ্যমে ধান কাটেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বিরোধপূর্ণ ঘটনাটি মিমাংসিত হয়। কিন্তু কোন এক অদৃশ্য ষড়যন্ত্রের কারণে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তির ঈর্ষান্বিত ইন্ধনে আবারো থানা পুলিশের শরাপন্ন হয়ে একটি মামলা (নং-২৫, তাং-২৭/০৪/২০২১ইং) দায়ের করেন। প্রতিপক্ষ মামলাটি দায়ের করে বৈঠকের সিদ্ধান্ত ভঙ্গ করেছেন।

যার উদ্দেশ্য শুধু নুরুল ইসলাম কিংবা বেবী বেগমের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ষড়যন্ত্র মূলক কিশোরগাড়ী (ভেগীপাড়া) গ্রামের আব্দুর রহমান ও তার ছেলে জেনারুল ইসলাম ঠান্ডাসহ তাদের একই পরিবারের ৫জন সদস্যকে মামলার আসামী করা হয়। প্রসঙ্গতঃ উপরোক্ত বিরোধপূর্ব জমির মালিকানা, ভোগদখল এবং ধানকাটা ঘটনার সাথে আব্দুর রহমান ও তার ছেলে জেনারুল ইসলাম ঠান্ডা ছাড়াও একই পরিবারের অন্যান্যদের কোন সম্পৃক্ততা নেই।

ধানকাটাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মূলক পত্রিকাসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিত্তিহীন-বানোয়াট ও অসত্য তথ্য তুলে ধরে প্রকাশিত খবরের আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেইসাথে দায়েরকৃত মামলাটি সরেজমিন সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষ প্রকৃত তথ্য উদঘাটন পূর্বক বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সুরহায় পুলিশ প্রশাসনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ কামনা করছি। সংবাদ সম্মেলনে আম্বিয়া বেগমের ছেলে ইমরান মিয়াসহ এলাকার অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও গণমাধ্যমের বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিকবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..