শনিবার, ১২ Jun ২০২১, ১১:২৮ অপরাহ্ন

এমপি শিবলী সাদিকের তৎপড়তায় পানি বন্দী জীবন থেকে মুক্তি পেল একটি গ্রাম

mm
মনোয়ার বাবু (ঘোড়াঘাট) দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার ৮ জুন, ২০২১
  • ৭৬বার পঠিত

দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য শিবলী সাদিকের তৎপরতায় পানি বন্দী জীবন থেকে মুক্তি পেল ঘোড়াঘাট উপজেলার শালিকাদহ গ্রামের প্রায় ২ শতাধিক পরিবার।

আজ মঙ্গলবার (৮ জুন) দুপুরে পানি বন্দী হয়ে পরা দুটি গ্রাম পরিদর্শন করে সাংসদ তাৎক্ষণিক ব্যক্তিগত ভাবে পানি মুক্ত করতে ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেন।

জানা যায়, উপজেলার বুলাকীপুর ইউনিয়নের শালিকাদহ গ্রামের পাশ দিয়ে করতোয়া নদী প্রবাহিত হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এই গ্রামের পানি স্থানীয় দুলা মিয়ার আবাদী জমির উপর দিয়ে গিয়ে করতোয়া নদীতে পড়তো। গত কয়েকদিন আগে আবাদী জমির মালিক দুলু মিয়া তার জমিতে পুকুর খনন করে।পাশাপাশি উচু করে পুকুরের পাড় বেঁধে দেয়। ফলে গত এক সপ্তাহে ভারী বৃষ্টিতে শালিকাদহ গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক পরিবার পানি বন্দী হয়ে পড়ে। স্থানীয় এক ব্যক্তি পানি বন্দী ওই গ্রামের ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করেন। ছবি গুলো সাংসদ শিবলী সাদিকের নজরে আসলে, তিনি গ্রামটি পরিদর্শন করেন। পরে খননকৃত পুকুরের চারপাশে দেওয়া পাড় সরিয়ে নিতে ওই পুকুরের মালিককে অনুরোধ করেন। সাংসদের অনুরোধে পুকুরের মালিক বাঁধ সরিয়ে নিতে সম্মতি প্রকাশ করেন। বাঁধ সরিয়ে নেওয়ার খরচ বাবদ সাংসদ পুকুরের মালিককে ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেন।

শালিকাদহ গ্রামের পানি বন্দী হয়ে থাকা কৃষক মোজাম্মেল হক বলেন, পুকুর খোড়ার কারণে হামার বাড়ির খুলিত (উঠোনে) পানি উঠিছে। অনেক দিন ধরে হামরা গ্রামের মানুষ পানিত হাবুডুবু খাওছি। পুকুরের মালিককে মেলা বার কছি হামাহেরে গ্রামের পানি বার হবার ব্যবস্থা করে দিবার।কিন্তু পুকুরআলা কথা শোনে না। আজ হামার এমপি আলছে হামার গ্রামত। পুকুরের মালিকেক টেকা দিল। মালিক এখন পুকুরের পাড় সরাওছে।

দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক বলেন, ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে পুকুর খনন এবং এর চারপাশে উচু করে পুকুরের পাড় নির্মাণ করায় বৃষ্টির পানিতে প্রায় ২ শতাধিক পরিবার পানি বন্দী হয়ে পড়েছিল। ফেসবুকে ছবিটি দেখে আমি ওই গ্রামে গিয়েছিলাম। পুকুরের মালিককে নগত অর্থ দিয়েছি। পুকুরের মালিক কথা দিয়েছেন তিনি আজকে থেকেই পুকুরের পাড় সরানোর ব্যবস্থা করবেন। আর পুকুরের পাড়টি সরালেই শালিকাদহ গ্রাম থেকে পানি পাশ্ববর্তী নদীতে গিয়ে পড়বে। ফলে ২ শতাধিক পরিবার পানি বন্দীর হাত থেকে রক্ষা পাবে।

শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..