মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
পৌরসভা নির্বাচন ২০২০, মেয়র প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতিক পেলেন যারা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাল আত্মসাতের অভিযোগ সাঘাটায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত দূর্গাপুরে কৃষক লীগের উদ্যোগে প্রান্তিক কৃষকদের কৃষি বীজ বিতরণ কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় ৪২ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ২০২০ পালিত কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় অটো থেকে ছিটকে নারী মৃত্যু ১ সাপাহারে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের এজেন্ট শাখার শুভ উদ্বোধন আলোর পথযাত্রী’ সহায়তায় সুস্থ হলেন ভ্যান চালক নাছের ধামইরহাটে দার্জিলিং জাতের কমলার চারা রোপন ধামইরহাটে জঙ্গিবাদ মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে যুবলীগের বিক্ষোভ সমাবেশ বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়েছেন একসঙ্গে ৪৩ জন সাঁতারু র‍্যাবের অভিযানে চকরিয়ায় বাস ডাকাতির ঘটনায় ৬ ডাকাত গ্রেফতার ধামইরহাটে অজ্ঞাত রোগে মাছে মড়ক, ৩০ লাখ টাকার ক্ষতিতে মৎস্যচাষী’র হাহাকার চকরিয়ায় হরিনের মাংস বিক্রির অভিযোগে ১ ব্যক্তির ৩ মাসের সাজা পুঠিয়ায় মাস্ক না পরায় সচেতনতার পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অর্থদন্ড

সুন্দরগঞ্জে বুড়াইল নদীর উপর নির্মিতি কাঠের সাঁকো ভেঙ্গে চরম ভোগান্তিতে দুই গ্রামের মানুষ

আল কাদরি কিবরিয়া সবুজ, (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৬৩ বার পঠিত


গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের খোর্দ্দা গ্রামে বুড়াইল নদীর উপর নির্মিত কাঠের সাঁকোটি পানির স্রোতে ভেঙ্গে ভেসে যাওয়ায় দু’পাড়ের মানুষ পারাপার হতে না পেরে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন। জরুরী প্রয়োজনে দু’পাড়ের মানুষ নৌকায় পারাপার হতে বাধ্য হচ্ছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, গত ২০ বছর থেকে এ কাঠের সাঁকোর স্থানে এলাকাবাসি স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে পারাপার হতেন। খোর্দ্দা ও লাটশালার চরে বেক্সিমকো কোম্পানির নির্মাণাধীন পাওয়ার প্লান্ট প্রকল্পের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও যাতায়াত করতেন এ সাঁকো দিয়ে। এমতাবস্থায় দুই বছর আগে পাওয়ার প্লান্ট প্রকল্পের নিজস্ব অর্থায়নে খোর্দ্দা ও লাটশালা গ্রামে ২.৫ কিলোমিটার রাস্তা ও বুড়াইল নদীর উপর কাঠের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। এরপর সুন্দরগঞ্জ থেকে পাওয়ার প্লান্ট যাতায়াত পথ সুগম হয়। ছোট-খাটো যানবাহনে মালামাল ও কৃষিপণ্য পরিবহন করা যেত এ সাঁকো দিয়ে। যোগাযোগের পথ সুগম হওয়ায় চরাঞ্চলবাসির জীবনযাত্রার মানও বেড়ে যায়।

এ সাঁকোর ওপাড়ে খোর্দ্দাচর ও লাটশালারচর গ্রাম। এ দুই গ্রামের মানুষ সপ্তাহের শনি ও বুধবার মীরগঞ্জহাটে যান মালামাল বেচাকেনার জন্য। এছাড়া মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবকসহ শিক্ষকরাও যাতায়াত করেন এ সাঁকো দিয়েই। খোর্দ্দারচরের স্কুলের বাজার ও লাটশালার চরের নতুন বাজারের ব্যবসায়ীরাও মালামাল পরিবহন করতে না পেরে পড়েছেন বিপাকে। খোর্দ্দা ও লাটশালার পূর্ব পাশে তিস্তা নদী। তিস্তার আসান খেয়াঘাট দিয়েই পার্শ্ববর্তী উলিপুর উপজেলার লোকজন এ সাঁকো দিয়েই পারাপার হয়ে রংপুর ও গাইবান্ধা শহরে যাতায়াত করেন। তারাও পড়েছেন বিপাকে। বুড়াইল নদীর দুই পাড়ের প্রায় ৮/১০ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষনে পানির স্রোত ও কচুরিপানার চাপে উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের খোর্দ্দা গ্রামের তাম্বুলপুর ছড়া নদী সংযোগ বুড়াইল নদীর উপর নির্মিত কাঠের সাঁকোটি ভেঙ্গে ও ভেসে যায়। এতে পারাপার হতে না পেরে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন। চরাঞ্চলের মানষের উন্নত জীবনযাত্রার ধারা অব্যাহত রাখতে সরকারিভাবে ব্রীজ নির্মাণ করার দাবি স্থানিয়দের ।

খোর্দ্দার চরের বাসিন্দা রাইচমিল মালিক মানিক মিয়া বলেন, সাঁকোটি জরুরী ভিত্তিতে পুনঃমেরামত করা দরকার। ঝুঁকি নিয়েই মালামাল বহন করতে হচ্ছে নৌকায়। আর্থিক সংকটে এলাকাবাসি পুনঃ মেরামত করতে পারছে না।

খোর্দ্দা গ্রামের ইউপি সদস্য শাহালম মিয়া জানান, কাঠের ব্রীজ ভেঙ্গে যাওয়ার খবর ইউপি চেয়ারম্যানকে জানানো হয়েছে। তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাঁশ কেটে জনসাধারণের চলাচলের ব্যবস্থা করতে বলেছেন। চেয়ারম্যান সব খরচ দিতে চেয়েছেন।

এ ব্যাপারে তারাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বলেন, যত তাড়াতাড়ি পারি জনগনের চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী লুতফুল হাসান জানান, সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলেছি। কাঠের সাঁকোটি দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জাতীয় পার্টির অতিরিক্ত মহাসচিব (রংপুর) ও স্থানীয় সাংসদ ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, খুব দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে ইনশাআল্লাহ।

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..