শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ১০:৩৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
আগামী ঘোড়াঘাট পৌরসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য ০৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী সাইদুর রহমান সাজু দুর্গাপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১’শ ফেন্সিডিলসহ বোতলসহ গ্রেপ্তার ২ দুর্গাপুরে কয়লা ভর্তি ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মোটরসাইকেল আরোহী যুবকের মৃত্যু খাগড়াছড়ি-ঢাকা রুটে নতুন সংযোজন বিলাসবহুল গ্রীন লাইন সেবা পানছড়িতে ব্রীকফিল্ডে সন্ত্রাসী হামলা চকরিয়া-পেকুয়ায় বনের কাঠে তৈরী হচ্ছে অবৈধ ফিশিং বোট ধামইরহাটে সোনার বাংলা সংগীত নিকেতনের বার্ষিক বনভোজন ধামইরহাটে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কুড়িগ্রাম সদরে হেরোইনসহ ৩ যুবক আটক চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যাত্রীবেশে চলন্ত বাসে ডাকাতি, গুলিবিদ্ধসহ আহত ৯ রাজশাহীতে বালু তুলতে পদ্মা ভরাট করে রাস্তা নির্মাণ পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে শুরু হয়েছে প্রার্থীদের দৌড়-ঝাপ জেলের জালে ২৬ কেজি ওজনের কাতল, বিক্রি হলো ৩০ হাজার টাকায় কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় কন্যা সন্তান জন্ম দেয়ায় পরিবারের খোঁজ খবর নেয়না স্বামী কুড়িগ্রামের কৃষকেরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ইরি-বোরো মৌসুমের ধানের বীজতলা তৈরিতে

চাল না দেওয়ায় স্থগিত গাইবান্ধার ১৫০ মিলারের জামানত

আল কাদরি কিবরিয়া সবুজ, (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার ৬ অক্টোবর, ২০২০
  • ৫৫ বার পঠিত


চুক্তি সম্পাদনের পর গাইবান্ধা জেলার ১৫০ জন মিলার সরকারি খাদ্য গুদামে এক ছটাক চালও দেয়নি। এমনকি নির্ধারিত সময়ের পর ১৫ দিন সময় বাড়িয়েও চাল দিতে ব্যর্থ হন তারা। এ কারণে তাদের জামানত স্থগিত করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে গতকাল সোমবার ৫ অক্টোবর বিকেলে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. রিয়াজুর রহমান রাজু বলেন, যেসব মিলার সরকারি খাদ্য গুদামে এক ছটাক চালও দেয়নি, তাদের জামানত স্থগিত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য খাদ্য অধিদপ্তরে চিঠি দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।

জেলা খাদ্য বিভাগের সূত্রে জানা যায়, এ বছর জেলার ৮৮৯ জন মিলারদের কাছ থেকে ২৩ হাজার ৬৮৩ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল এবং ১ হাজার ৬২৮ মেট্রিক টন আতব চাল ক্রয় করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। প্রতি কেজি সিদ্ধ চাল ৩৬ টাকা ও প্রতি কেজি আতপ চাল ৩৫ টাকা সরকারি মূল্য নির্ধারণ করা হয়। চলতি বছরের ৭ মে থেকে সরকারিভাবে চাল ক্রয় শুরু করা হয়। চাল ক্রয়ের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয় ৩১ আগস্ট। এর মধ্যে ৬৭৫ জন মিলার সরকারি গুদামে শতভাগ এবং ৬৪ জন আংশিক চাল সরবরাহ করেন। কিন্তু জেলার অবশিষ্ট ১৫০ জন মিলার ৩১ আগস্টের মধ্যে চাল দিতে ব্যর্থ হন। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়িয়েও যথাসময়ে তারা চাল সরবরাহ করতে পারেননি। তারা চুক্তি করেও সরকারি খাদ্য গুদামে এক ছটাক চালও দেয়নি। এ কারণে তাদের জামানত স্থগিত করা হয়েছে।

সূত্রটি আরও জানায়, জেলার সাতটি উপজেলায় ১১টি সরকারি খাদ্য গুদাম রয়েছে। এসব গুদামে ধান চালের ধারণ ক্ষমতা ৩২ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন। কিন্তু বর্ধিত সময় অনুযায়ী ক্রয়ের শেষদিন পর্যন্ত ১৯ হাজার ২৮৩ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল ও ১ হাজার ২৪৭ দশমিক ৪০০ মেট্রিক টন আতপ চাল ক্রয় করা হয়েছে। ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ায় গুদামগুলো অনেকটা ফাঁকা পড়ে আছে।

চুক্তি করেও কেন চাল দেননি জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর এলাকার এক মিলার বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বাজারে চালের দাম বেশি। চালের বরাদ্দ পেয়েছি ৮ মেট্রিক টন। প্রতি কেজিতে ৪-৫ টাকা লোকসান হলে কত টাকা লোকসান হবে। তাই এক ছটাক চাল দেওয়া সম্ভব হয়নি। এজন্য কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিলে করার কিছু নেই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একই এলাকার আরেক মিলার বলেন, এবার ৭ মেট্রিক টনের বরাদ্দ পেয়েছিলাম। প্রথম দিকে বাজারে চালের দাম কম ছিল, তখন ৪ মেট্রিক টন দিয়েছে। পরে বাজারে চালের দাম বেশি হওয়ায় আর দিতে পারিনি।

গাইবান্ধা সদর উপজেলার গিদারি এলাকার মিলার টিপু মিয়া বলেন, চাল ক্রয় শুরুর প্রথমদিকে কিছু চাল দিয়েছি। পরে বাজারে চালের দাম বাড়ায় সরকারি গুদামে আর চাল দেয়নি।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আরও বলেন, যারা গুদামে আংশিক চাল দিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..