রবিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২০, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
দীঘিনালায় পার্বত্য প্রেসক্লাব ও সবুজ পাতার দেশ’র উদ্যোগে দুই গৃহহীনের ঘর নির্মাণ যারা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বুড়িগঙ্গায় ভাসিয়ে দিতে চায় তাদের বঙ্গোপসাগরে ভাসিয়ে দিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মানুষ প্রস্তুত নড়াইলে স্বপ্নের খোঁজে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র পেলো এতিম শিশু, বেদেপল্লী ও মানসিক ভারসাম্যহীনরা রংপুরের পীরগঞ্জে চাকুরী দেওয়ার নামে টাকা আত্মসাৎ উলিপুরে কবর দখল করে বসতঘর নির্মাণ কুড়িগ্রামে দলিত ও বঞ্চিত সম্প্রদায়কে আদমশুমারী-২০২১ এ অন্তর্ভুক্তির দাবিতে মানববন্ধন কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় শিল্পী সমিতির কমিটি গঠিত কুড়িগ্রামে নাগেশ্বরী ও ফুলবাড়ী উপজেলার পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজা ও হিরোইন সহ ১ মাদক ব্যবসায়ী আটক দীঘিনালায় জায়গা-জমি সংক্রান্ত পারিবারিক কলহে যুবকের মৃত্যু নওগাঁর সাপাহারে ফেন্সিডিল সহ যুবক আটক পলাশবাড়ী পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা মুজিববর্ষ উপলক্ষে নড়াইলে ফুটবল খেলায় মহাজন একাদশ চ্যাম্পিয়ন দীঘিনালায় বিরল রোগ আক্রান্ত ১০বছরের শিশু আরিফ বাঁচতে চায় দিনাজপুরে এন্টি টেররিজম ইউনিট কর্তৃক জঙ্গী সংগঠন আল্লাহর দলের আঞ্চলিক প্রধান আটক পলাশবাড়ী পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠু হবে-নির্বাচন কমিশনার বেগম কবিতা খানম

গাইবান্ধায় ১ হাজার ২০৫ জন করোনা আক্রান্ত

আল কাদরি কিবরিয়া সবুজ, (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় শুক্রবার ১৬ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৫৭ বার পঠিত


গাইবান্ধায় গত ২২ মার্চ প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়ার পর জেলায় করোনাভাইরাস শনাক্তের ২০৯তম দিনে এই ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। জেলায় এ পর্যন্ত মোট ১ হাজার ২০৫ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। কোভিড-১৯ রোগ থেকে জেলার সাত উপজেলায় সুস্থ্য হয়েছেন ১ হাজার ১৪৭ জন। গাইবান্ধায় করোনা শনাক্ত ও মোট আক্রান্তের বিবেচনায় সুস্থ্যতার হার ৯৫ দশমিক ১৮ শতাংশ। ২০৯তম দিনেও জেলায় করোনার সংক্রমণের লাগাম পুরোপুরি টেনে ধরা না গেলেও সুস্থতার হার বাড়ছে। জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, জেলায় মোট ১ হাজার ২০৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তবে এ পর্যন্ত করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ১ হাজার ১৪৭ জন মানুষ। সুস্থতার হার ৯৫ দশমিক ১৮ শতাংশ। বিভিন্ন আইসোলেশনে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৪৪ জন। এই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৪ জন। এ পর্যন্ত জেলায় করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ১৬৫ শতাংশ।

১৬ অক্টোবর শুক্রবার সকালে জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ পরিসংখ্যানে জানানো হয়, কোভিড-১৯ রোগ থেকে গাইবান্ধা জেলার সাত উপজেলায় সুস্ত্য হয়ে ওঠা ১ হাজার ১৪৭ জনের মধ্যে গাইবান্ধা সদরে ৪২০ জন, গোবিন্দগঞ্জে ৩১৬ জন, সাদুল্লাপুরে ৯৪ জন, পলাশবড়ীতে ৯৮ জন, সাঘাটায় ৭৬ জন, সুন্দরগঞ্জে ৭৯ জন ও ফুলছড়ি উপজেলায় ৬৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

এ ছাড়া সংখ্যাধিক্য অনুযায়ি শুক্রবার দুপুরে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত গাইবান্ধা সদরে সবচেয়ে বেশি ৪৪২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে (এরমধ্যে পৌর এলাকায় ৩৩৬ জন)। এর পরের অবস্থানে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় পাওয়া গেছে ৩২৫ জন (এরমধ্যে পৌর এলাকায় ১৭৮ জন), পলাশবাড়ী উপজেলায় ১০৯ জন (এরমধ্যে পৌর এলাকায় ৬৫ জন), সাদুল্লাপুর উপজেলায় ৯৯ জন, সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ৮১ জন (এরমধ্যে পৌর এলাকায় ৩৪ জন), সাঘাটা উপজেলায় ৭৭ জন ও ফুলছড়ি উপজেলায় ৭২ জন। গাইবান্ধায় বর্তমানে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন ৪৪ জনের মধ্যে ১৯ জন গাইবান্ধা সদরে, পলাশবাড়ীতে ৭ জন, ফুলছড়িতে ৮ জন, গোবিন্দগঞ্জে ৫ জন, সাদুল্লাপুরে ৩ জন, সুন্দরগঞ্জে ১ জন ও সাঘাটায় ১ জন রয়েছেন।

জানা গেছে, এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ১৪ জন করোনা আক্রান্তরোগী মারা গেছেন। এরমধ্যে গোবিন্দগঞ্জে ৪ জন, সদরে ৩ জন, সাদুল্লাপুরে ২ জন, পলাশবাড়ীতে ৪ জন এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় আরও ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

তবে করোনা সংক্রমণ নিয়ে স্থানীয়রা অনেকটাই অসচেতন। চলাচলে অসতর্কতা এবং সামাজিক দূরত্ব ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বাস্থ্যবিধি কেউ সঠিকভাবে মেনে চলছেন না। সাধারণ মানুষ হাঁটবাজার, দোকানপাট ও রাস্তাঘাটে অবাধে চলাচল করছেন। চলছে চায়ের দোকানে আড্ডা। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে কমেছে প্রশাসনের নজরদারিও। এতে করোনার ভয়াবহ সংক্রমণের আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টরা।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম দেখা দেওয়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস বাংলাদেশসহ বিশ্বের দুই শতাধিক দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে এবং গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..