বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:৫৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ষড়য‌ন্ত্রের প্রতিবা‌দে মান্দায় ম‌হিলা আওয়ামী লী‌গের বি‌ক্ষোভ সমা‌বেশ চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযান মহিমাগঞ্জ চিনিকলের আখচাষী ও শ্রমিক কর্মচারীদের সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ ফুলছড়িতে ইউনিয়ন যুবলীগের অফিস উদ্বোধন করলেন ডেপুটি স্পিকার গোবিন্দগঞ্জে উগ্র-মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বাস্তবায়ন শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় রায়গঞ্জের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের মৃত্যু দুর্গাপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের আত্মহত্যা বঙ্গোপসাগর থেকে ৩ লাখ ইয়াবাসহ সাত মিয়ানমার নাগরিক আটক বঙ্গবন্ধুর ভাস্কার্য্য হুমকি প্রদানকারী মমিনুল হকের বিরুদ্ধে কুড়িগ্রামে মানববন্ধন ধামইরহাটে আওয়ামী মহিলালীগের জঙ্গিবাদ- সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী র‌্যালি ও বিক্ষোভ সমাবেশ ধামইরহাটে কর্মজীবি ল্যাকটেটিং মাদার হেলথ ক্যাম্পে সেবা পেল ৪ শতাধিক মা খুলনা মহানগরীতে মাদক বিরোধী অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪ বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ও পুনর্বাসন সোসাইটি কেন্দ্রীয় যুব কমান্ডের মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলা শাখার কমিটি গঠন রাজশাহীতে পৌরনির্বাচন কে কেন্দ্র করে তৃনমূল সিলেকশন ভোট নিয়ে অসন্তোষ

এক টাকার মাষ্টারকে নগদ অর্থ ও মোবাইল ফোন প্রদান করলেন গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক

আল কাদরি কিবরিয়া সবুজ, (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় রবিবার ২৫ অক্টোবর, ২০২০
  • ১০৬ বার পঠিত


এক টাকার মাষ্টার লুৎফর রহমানকে ২৫ অক্টোবর (রবিবার) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ প্রদান করেন গাইবান্ধার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আলমগীর কবির ও জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দসহ সৃজনশীল গাইবান্ধার এডমিন মো. মেহেদী হাসান, সভাপতি নিশাদ বাবু, সাধারন সম্পাদক শরিফুল ইসলাম শাকিল প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ৪৪ বছর আগে দিনে এক টাকা ফি নিয়ে শিক্ষার্থী পড়ানো শুরু করেন লুৎফর রহমান। এখন তাঁর বয়স ৭০। এর মধ্যে কত কিছুর দাম বাড়ল। কিন্তু লুৎফর রহমানের প্রাইভেট পড়ানোর ফি আর বাড়েনি। এলাকার লোকজনের কাছে তিনি পরিচিতি পেয়েছেন ‘এক টাকার মাস্টার’ নামে। লুৎফর রহমানের বাড়ি গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাগুড়িয়া গ্রামে। তিনি বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছেন। কিন্তু পাঠদানের উৎসাহ এতটুকু কমেনি। এখন দিনে ৩৫ জন শিক্ষার্থীকে পড়ান তিনি।

লুৎফর রহমান বলেন, এই এলাকার বেশির ভাগ মানুষ গরিব। ছেলেমেয়েদের পড়াতে চান না। প্রাইভেট পড়াতে পারেন না। তাই তিনি নাম মাত্র ফি নিয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছেন। এতে তাঁর তেমন লাভ না হলেও গরিব মানুষের ছেলেমেয়ে শিক্ষিত হচ্ছে। এটাই তাঁর লাভ।

জেলা শহর থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বাগুড়িয়া। এ গ্রামের ভেতর দিয়ে ব্রহ্মপুত্র বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ তৈরি করা হয়েছে। বাঁধের দুই ধারে নদীভাঙা মানুষের বাস। বেশির ভাগ মানুষের একচালা টিনের ঘর। এখানকারই একটি বাড়ি লুৎফর রহমানের।

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..