রবিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
দীঘিনালায় পার্বত্য প্রেসক্লাব ও সবুজ পাতার দেশ’র উদ্যোগে দুই গৃহহীনের ঘর নির্মাণ যারা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বুড়িগঙ্গায় ভাসিয়ে দিতে চায় তাদের বঙ্গোপসাগরে ভাসিয়ে দিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মানুষ প্রস্তুত নড়াইলে স্বপ্নের খোঁজে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র পেলো এতিম শিশু, বেদেপল্লী ও মানসিক ভারসাম্যহীনরা রংপুরের পীরগঞ্জে চাকুরী দেওয়ার নামে টাকা আত্মসাৎ উলিপুরে কবর দখল করে বসতঘর নির্মাণ কুড়িগ্রামে দলিত ও বঞ্চিত সম্প্রদায়কে আদমশুমারী-২০২১ এ অন্তর্ভুক্তির দাবিতে মানববন্ধন কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় শিল্পী সমিতির কমিটি গঠিত কুড়িগ্রামে নাগেশ্বরী ও ফুলবাড়ী উপজেলার পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজা ও হিরোইন সহ ১ মাদক ব্যবসায়ী আটক দীঘিনালায় জায়গা-জমি সংক্রান্ত পারিবারিক কলহে যুবকের মৃত্যু নওগাঁর সাপাহারে ফেন্সিডিল সহ যুবক আটক পলাশবাড়ী পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা মুজিববর্ষ উপলক্ষে নড়াইলে ফুটবল খেলায় মহাজন একাদশ চ্যাম্পিয়ন দীঘিনালায় বিরল রোগ আক্রান্ত ১০বছরের শিশু আরিফ বাঁচতে চায় দিনাজপুরে এন্টি টেররিজম ইউনিট কর্তৃক জঙ্গী সংগঠন আল্লাহর দলের আঞ্চলিক প্রধান আটক পলাশবাড়ী পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠু হবে-নির্বাচন কমিশনার বেগম কবিতা খানম

খাগড়াছড়িতে পল্লী চিকিৎসকদের সাথে ব্র্যাকের যক্ষা নিরোধে মতবিনিময় সভা

আল মামুন পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় বুধবার ৪ নভেম্বর, ২০২০
  • ৬৮ বার পঠিত

খাগড়াছড়িতে যক্ষা মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে পল্লী চিকিৎসকদের সাথে ব্র্যাকের জাতীয় যক্ষা নিরোধে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার(০৪নভেম্বর) সকাল ১০টায় ব্র্যাকের উদ্যোগে ব্র্যাক খাগড়াছড়ির জেলা অফিস মিলনায়তনে “যক্ষ্মা রোগ নিয়ন্ত্রণে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পল্লী চিকিৎসকদের সাথে মতবিনিময় সভায় ব্র্যাকের উপজেলা ম্যানেজার মো. সাঈদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, খাগড়াছড়ি স্বাস্থ্য বিভাগের সিভিল সার্জন ডা: নুপুর কান্তি দাস

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ডা: সঞ্জীব ত্রিপুরা।

অন্যান্যদের মধ্যে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, ব্র্যাকের খাগড়াছড়ি জেলা ম্যনেজার মো. সাইয়েদ নুর, খাগড়াছড়ি গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সোসাইটির সভাপতি ডা. অনিল কান্তি দেবসহ জেলা সসদর হতে আগত পল্লী চিকিৎসকগণ।

সভায় প্রধান আলোচক খাগড়াছড়ি স্বাস্থ্য বিভাগের সিভিল সার্জন বলেন, যক্ষ্মা ছোঁয়াচে হলেও সচেতনতার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে আনতে পল্লী চিকিৎসকদের বিরাট ভূমিকা রাখতে হবে। দুই সপ্তাহের অধিক কাশি ও জ্বর হলে তাকে যক্ষা রোগী সন্দেহ করে কফ পরীক্ষার জন্য ব্র্যাক ও সদর হাসপাতালে পাঠাতে পরামর্শ দেন তিনি।

আলোচনায় যক্ষারোগ বিষয়ে ডা. সন্জীব ত্রিপুরা তার বক্তব্যে বলেন,’যক্ষা হলে রক্ষা নাই, এ কথার ভিত্তি নাই।’ চিকিৎসায় যক্ষা রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় হয়।

যক্ষা সাধারণত বদ্ধ, স্যাঁতস্যাঁতে, ঘনবসতিপূর্ণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝেই যক্ষা বা টিবি রোগের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। যক্ষা বা টিবির জীবাণুর সংক্রামণ বৈশিষ্ট্যের কারণেই এমনটি হয়। এ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে স্বাস্থ্য সচেতনতার মাত্রা কম থাকায় এ রোগের বিভিন্ন লক্ষণ বা উপসর্গ ধাপকে আক্রান্ত জনগোষ্ঠীর সিংহভাগেরই তেমন ভালো কোনো ধারণা নেই।

মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবার কিউলোসিস নামের এক ধরনের জীবাণু থেকে এ রোগ ছড়ায়। আক্রান্ত রোগীর কফ থেকে এ রোগের জীবাণু একজনের দেহ থেকে অন্যজনের শরীরে প্রবেশ করে। যেসব রোগী ২সপ্তাহের বেশি জ্বরে ভোগে তাদের ৩৩ শতাংশ যক্ষ্মায় আক্রান্ত হওয়ায় সম্ভাবনা থাকে। এদের কফ থেকে সব সময় জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে। তাই এদের সাথে চলাফেরা করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। রোগীর হাঁচি কাশির সাথে সাধারণত রোগ জীবাণু বাইরে আসে।
যক্ষা দুই ধরনের, ফুসফুসের যক্ষা ও ফুসফুস বহির্ভূত যক্ষা।

বুকের এক্স-রে রক্তের ইএসআর, কফ পরীক্ষা এবং টিউবার কিউলিন বা মনটেংটেস্ট করে যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত করা হয়।

সর্বোপরি যক্ষা রোগ সনাক্ত ও প্রতিরোধে গ্রাম ডাক্তারদের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..