মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১১:১০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
কুড়িগ্রাম থানা পুলিশ বাস উপহার পেল আইজিপি কর্তৃক কুড়িগ্রামের রাজারহাট থানায় মাস্ক না পরায় জরিমানা১৮ ঘোড়াঘাট ৪ নং ইউপি’র তরুন উদ্যোক্তা নূরনবী এবার সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী পৌরসভা নির্বাচন ২০২০, মেয়র প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতিক পেলেন যারা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাল আত্মসাতের অভিযোগ সাঘাটায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত দূর্গাপুরে কৃষক লীগের উদ্যোগে প্রান্তিক কৃষকদের কৃষি বীজ বিতরণ কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় ৪২ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ২০২০ পালিত কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় অটো থেকে ছিটকে নারী মৃত্যু ১ সাপাহারে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের এজেন্ট শাখার শুভ উদ্বোধন আলোর পথযাত্রী’ সহায়তায় সুস্থ হলেন ভ্যান চালক নাছের ধামইরহাটে দার্জিলিং জাতের কমলার চারা রোপন ধামইরহাটে জঙ্গিবাদ মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে যুবলীগের বিক্ষোভ সমাবেশ বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়েছেন একসঙ্গে ৪৩ জন সাঁতারু র‍্যাবের অভিযানে চকরিয়ায় বাস ডাকাতির ঘটনায় ৬ ডাকাত গ্রেফতার

২০২১ সালে ঘোড়াঘাট পৌরসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় শুক্রবার ১৩ নভেম্বর, ২০২০
  • ৮৩ বার পঠিত

২০২১ সালের প্রথম দিকেই উত্তীর্ণ হবে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরসভার মেয়াদ। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে মেয়াদউত্তীর্ণ পৌরসভার নির্বাচন। 

হাতে সময় আর মাত্র কয়েক মাস। হাট বাজার কিংবা চায়ের দোকান! সব জায়গাতেই শোনা যাচ্ছে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম। জনগণের সাথে কুশল বিনিময়ও করছেন সম্ভাব্য ৬ জন মেয়র প্রার্থী।

টানা দুই বার এই পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মিলন। সর্বশেষ গত ১৬ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ঘোড়াঘাট পৌরসভা নির্বাচন। আসন্ন ২০২১ সালের পৌরসভা নির্বাচনে এখনও পর্যন্ত ৬ জন সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। 

তারমধ্যে বর্তমান মেয়র ও পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মিলন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইউনূছ আলী মন্ডল, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আব্দুর রহিম মিয়া, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি, পৌর জামায়াতের আমির প্রভাষক আব্দুল মান্নান সরকার ।

হাটবাজার ও জনসমাগম পূর্ণ এলাকাতে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময় করছে এবং দোয়া চাচ্ছে। সন্ধার পরে হোটেল গুলোতে চা চক্রে অংশ গ্রহণ করতে দেখা যাচ্ছে তাদেরকে। 

পাশাপাশি বৃহত্তম দুটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী একাধিক প্রার্থী থাকায়, নিজ নিজ দলের হাই কমান্ডের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে প্রার্থীরা। 

আসন্ন নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ইউনূছ আলী মন্ডল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আব্দুর রহিম মিয়া এবং উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি। 

অপরদিকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী বর্তমান মেয়র ও পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মিলন এবং  উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আবুল কালাম আজাদ। এছাড়াও বিএনপির জোট শরিক জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল মান্নান সরকার। 

আসন্ন এই নির্বাচনকে ঘিরে জনমনেও চলছে নানা কৌতুহল ও বিচার বিশ্লেষণ। বিগত দিনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবারে কোন প্রার্থীকে পৌর পিতার মুকুট পরানো যায় তা নিয়ে মনে মনে নানা সমীকরণ কোষছে ভোটাররা। 

কাকে পৌর পিতা বানালে এলাকার উন্নয়ন হবে তা নিয়ে গবেষণার কোনো অন্ত নেই জনমনে। 

অপরদিকে চলমান মহামারী করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে নির্বাচন কখন, কিভাবে অনুষ্ঠিত হবে তা নিয়ে রয়েছে নানা জল্পনা কল্পনা। কারণ শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।

গত নির্বাচনে ৮জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। এরমধ্যে বিএনপির প্রার্থী বর্তমান মেয়র আব্দুস সাত্তার মিলন জয়লাভ করেছিলেন। তার নিকটতম প্রার্থী ছিলেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ। 

তৃতীয় অবস্থানে ছিলেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী ইউনূছ আলী মন্ডল এবং চতুর্থ অবস্থানে ছিলেন জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল মান্নান সরকার। বাকি অধিকাংশ প্রার্থীরা ভোট কম পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করেছিল নির্বাচন কমিশন।

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..