তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৭০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত, ফ্লাড বাইপাস বাঁধ ভেঙে ভয়াবহ বন্যা

এ,এল,কে খান জিবু লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি
এ,এল,কে খান জিবু লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি এ,এল,কে খান জিবু লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৩:৩৯ অপরাহ্ন, ২০ অক্টোবর ২০২১ | আপডেট: ৫:৩২ অপরাহ্ন, ৩০ নভেম্বর ২০২১

২০ সেপ্টেম্বর (বুধবার) সকাল ৯টা থেকে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৭০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

গত কয়েক দিন ধরে ভারি বর্ষনে  তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আজ বুধবার সকালে তিস্তা ব্যারাজের লালমনিরহাট অংশের একটি ফ্লাড বাইপাস বাঁধ ভেঙে গেছে। এই এলাকায় পানি বিপৎসীমার ৭০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল।

হাতীবান্ধা উপজেলা  শহরসহ গডিডমারী, সিংগিমারী, সিন্দুনা ও ডাউয়াবারী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা বন্যার পানি প্রবেশ করছে। ডুবে গেছে  এলাকার হাজার হাজার একর ফসলি জমি। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার পরিবার। ভয়াবহ বন্যায় তিস্তা পাড়ের মানুষের মাঝে এখন আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেতে থাকে। বুধবার সকালে পানি বিপৎসীমার ৫৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে।হাতীবান্ধার বড়খাতা হতে গড্ডিমারী মেডিকেল মোড় হয়ে মেডিকেল মোড় বাইপাস পাকা সড়কটির উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ধসে পড়ছে।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের লালমনিরহাট অংশের একটি ফ্লাড বাইপাস বাঁধ ভেঙে গেছে। এতে নীলফামারী জেলার সাথে লালমনিরহাটের যোগাযোগ  ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বাইপাসটি ভেঙে যাওয়ায় পানি হাতীবান্ধা শহরে ঢুকছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার পরিবার। ভয়াবহ বন্যায় তিস্তা তীরবর্তী এলাকার হাজার হাজার একর পাকা ধানক্ষেতসহ আলু, ভুট্টা ক্ষেত পানিতে ডুবে গেছে।

স্থানীয়রা বলেন, প্রতিবার বন্যার আগে পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে বন্যার আগাম পূর্বাভাস জানানো হলেও এবার তা জানানো হয়নি। ফলে বন্যার পানিতে ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন তারা।

হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিউল আমিন বলেন, হঠাৎ করে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে ফ্লাড বাইপাস ভেঙে গেছে।