লালমনিরহাটের ছেলে অধ্যক্ষ মিন্টুর ঢাকায় খণ্ডিত লাশ উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

এ, এল, কে খান জিবু,লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি
এ, এল, কে খান জিবু,লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি এ, এল, কে খান জিবু,লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৫:৫৬ অপরাহ্ন, ০৯ অগাস্ট ২০২১ | আপডেট: ৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, ১৯ অক্টোবর ২০২১

ঢাকা সাভারে জামগড়ায় রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নিখোঁজ কলেজ অধ্যক্ষ মিন্টু চন্দ্র বর্মনের খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করেছে ।

সোমবার (৯ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বেরন এলাকার নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাটির নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।হত্যাকাণ্ডে সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’মিন্টু বর্মণকে হত্যার পর লাশ টুকরা টুকরা করে স্কুলের মাঠে পুঁতে ফেলা হয় বলে র‍্যাবের কাছে তথ্য রয়েছে। র‍্যাব বলছে, স্কুলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে তাঁকে খুন করা হয়। মিন্টুর এক সহকর্মীসহ র‍্যাবের হাতে আটক তিনজনও র‍্যাবের অভিযান দলের সঙ্গে রয়েছেন।র‍্যাব বলছে, মিন্টু বর্মণকে হত্যার পর লাশ ছয় টুকরা করে স্কুলের মাঠে পুঁতে ফেলা হয়। দেহ থেকে মিন্টুর মাথা বিচ্ছিন্ন করে উত্তরায় একটি ডোবায় ফেলা দেওয়া হয়। ২৮ দিন ধরে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।নিখোঁজের ২৭ দিন পর খন্ড বিখন্ডিত লাশ উদ্ধার করেছে মেলেনি সাভার রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মিন্টু চন্দ্র বর্মনের (৩৬)। গত ১৩ জুলাই সাভার উপজেলার আশুলিয়ার থানার রূপায়ন মাঠ বেরন এলাকার নিজবাসা স্বপ্ন নিবাস থেকে তিনি নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই দিপক চন্দ্র বর্মন আশুলিয়ার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। নিখোঁজ মিন্টু চন্দ্র বর্মন লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের বাড়াইপাড়া গ্রামের শরত বর্মনের ছেলে। নিখোঁজ ছেলের সন্ধানে সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তার বাবা ও মা।

পরিবার সূত্র জানায়, নিখোঁজের দিন থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। গ্রামের বাড়িতে খোঁজ নিয়েও তার সন্ধান মেলেনি। তার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তার বৃদ্ধ বাবা-মা মৃত্যুশয্যায়। অধ্যক্ষের ভাই দিপক চন্দ্র বর্মন বলেন, বিভিন্ন জায়গায় খুঁজেও তাকে না পেয়ে ২২ জুলাই আশুলিয়ার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।’আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিলন ফকির বলেন, ওই অধ্যক্ষ ও তার দুই বন্ধু মিলে দুই বছর আগে বেরন রূপায়ন মাঠ এলাকায় ভাড়া বাড়িতে স্কুলটি শুরু করেন। তার এক বন্ধুকে ফোনে পাওয়া গেছে আর এক বন্ধুর ফোন বন্ধ। তাই এসব বিষয়েও তদন্ত চলছে। তিনি আরও বলেন, সিডিআর (কল ডিটেইলস রেকর্ড) কপি হাতে পেয়েছি। অধ্যক্ষের সবশেষ অবস্থান বিমানবন্দর হজ ক্যাম্প ছিল। এরপর থেকে তার ফোন বন্ধ। যত দ্রুত সম্ভব তাকে খুঁজে বের করা হবে।